Logo
শিরোনাম
ঈদগাঁওতে ইক্বরা তাহসীনুল কুরআন মাদ্রাসায় পুরুস্কার বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন সহকারী কমিশনার বরাবরে আবেদন……. ঈদগাঁওতে সরকারী খাস জমিতে গণ-শৌচাগার নির্মানের দাবী নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন  সভাপতি আমিন সম্পাদক কাজল ঈদগাহ্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত এপেক্স বাংলাদেশ মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে: সাচিং প্রু জেরী ঈদগাঁওতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বিলাইছড়িতে বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন রোয়াংছড়িতে বর্ণিল আয়োজনে তঞ্চঙ্গ্যা জাতির বিষু মেলা ঘিলা খেলা  সম্পন্ন ঈদগাঁওতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দাবীতে মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত আবেদন চৌফলদন্ডী রাখাইন পল্লীতে জলকেলির আনন্দে ভাসবে নারী-পুরুষ, প্রস্ততি চলছে

ফাইতং কমিউনিটি ক্লিনিকের ২২তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত

লামা সংবাদদাতা

লামায় ফাইতং ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড সুতাবাদী পাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক,শেখ হাসিনার অবদান কমিউনিটি ক্লিনিক বাঁচায় প্রাণ ২২তম কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা বার্ষিক দিবস পালিত হয়েছে।

(২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সুতাবাদী পাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক র‍্যালি ও হল রুমে আলোচনা সভা হয়, এই উপস্থিত ছিলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা সভাপতি, ইউপি সদস্য মুহাম্মদ জুবাইরুল ইসলাম জুবাইর, মহিলা ইউপি সদস্য শাহেদা ইয়াসমিন শাহেদা, জয়তুন নেছা সহ প্রমুখ।

কমিউনিটি ক্লিনিকের ২২তম প্রতিষ্ঠা দিবস আজ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়নের গিমাডাঙ্গা গ্রামে ২০০০ সালের ২৬ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন করেন। এর মধ্য দিয়ে দেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের যাত্রা শুরু হয়। কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকের ধারণা প্রবর্তন করেন। মাত্র সাড়ে ৩ বছরেই দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে তৎকালীন মহকুমা ও থানা পর্যায়ে স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।

আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই দেশব্যাপী প্রতি ৬ হাজার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি করে মোট ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ২০০১ সালের মধ্যেই ১০ হাজার ৭ শত ২৩টি অবকাঠামো স্থাপনপূর্বক প্রায় ৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম চালু করা হয়। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। ২০০৯ সালে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার আবার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের কাজ শুরু করে। বর্তমানে মোট ১৪ হাজার ১৫৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং ১৪ হাজার ১০০ শত ২৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকে কোভিড ভ্যাকসিন প্রদানসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টিসেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- এটি সরকার ও জনগণের সম্মিলিত অংশীদারিত্বের একটি সফল কার্যক্রম, যার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা এবং স্থায়িত্বের লক্ষ্যে সরকার ‘কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট আইন’ পাস করেছে।

কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সারাদেশের প্রান্তিক জনগণের স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টি সেবাসহ বিনামূল্যে ৩০ ধরনের ঔষধ ও স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমান অর্থবছরে ঔষধ ও স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী বাবদ বাৎসরিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৪১ কোটি থেকে ২৫০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। সেবাগ্রহীতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি সেবার পরিধি সম্প্রসারিত হওয়ার কারণে ৫ শতাংশের পরিবর্তে বর্তমানে ৮ শতাংশ জমিতে চার কক্ষ বিশিষ্ট নতুন নকশায় কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০১৭ থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৭টি নতুন নকশার কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!